Blog
রুকইয়ার সাপ্লিমেন্ট: পরিচিতি, ব্যবহার ও সতর্কতা
রুকইয়ার সাপ্লিমেন্ট বলতে সেই উপকরণগুলোকে বোঝানো হয়, যেগুলো সরাসরি রুকইয়া না কিন্তু রুকইয়ার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এগুলো শরিয়াহসম্মত ও চিকিৎসাগতভাবে উপকারী হওয়া জরুরি। মধু, পানি, তেল ইত্যাদি অনেক জিনিসই রুকইয়ার সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে প্রতিটি উপকরণের একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারবিধি ও সীমা রয়েছে। সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের নিয়ম প্রথমে (পানি বা তেলের মত) সাপ্লিমেন্ট প্রস্তুত করার জন্য- এর কাছে মুখ নিয়ে কুরআনের আয়াত বা দোয়া পড়া হয়। অথবা স্বাভাবিকভাবে পড়ার পর ফুঁক দেওয়া হয়, কখনো হালকা থুথুসহ ফুঁ দেয়া হয়। কেউ কেউ হাত বা আঙুল সাপ্লিমেন্টের উপর রেখে তেলাওয়াত করেন, ফুঁ দেননা।সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস ইত্যাদি
রুকইয়াহ এবং দোয়া
কেউ যাদু আক্রান্ত হলে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দোয়া করা। আমরা জানি জাদুর জিনিসগুলো যদি পাওয়া যায় আর সেগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়, তাহলে মানুষ খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে যায়। তাই তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত যেন আল্লাহ জানিয়ে দেন, যাদুর জিনিশগুলো কোথায় পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে, কিভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এটা কিন্তু রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ। আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে যে ঘটনাটি বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যখন যাদু করা হয়েছিল, উনি কয়েকদিন খুব বেশি বেশি দোয়া করেছেন, এরপর একদিন হঠাৎ বললেন “আয়েশা তুমি কি বুঝতে পেরেছ যে ব্যাপারে
বদনজর থেকে বাঁচার উপায়
১। কথার মাঝে আল্লাহর যিকির করা (এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা একটু পর আসছে) ২। মেয়ে হলে অবশ্যই শরীয়তের বিধান অনুযায়ী পর্দা করা। ৩। হাদীসে বর্ণিত সকাল সন্ধ্যার দুআগুলো পড়া, বিশেষত: بِسْمِ اللهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ العَلِيمُ বিসমিল্লা-হিল্লাযি লা-ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউং ফিলআরদি ওয়ালা-ফিসসামা-ই, ওয়াহুওয়াস সামি‘উল ‘আলিম।সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়া। (তিরমিজি, হাদিসঃ৩৩৩৫) أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্তা-ম্মা-তি, মিং-শাররি মা-খলাক্ব।সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়া। (তিরমিজি, হাদিসঃ৩৫৫৯) • সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস: প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়া। (তিরমিজি, হাদিসঃ৩৫৭৫) ৪। আর বাচ্চাদের সুরক্ষার জন্য কর্তব্য হচ্ছে, মাঝেমধ্যেই সূরা
